Homeরাজনীতিমহানবীকে কটুক্তির প্রতিবাদে ঢাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ

মহানবীকে কটুক্তির প্রতিবাদে ঢাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ

ভারতে টেলিভিশনের বিতর্ক অনুষ্ঠানে নবীজি হজরত মুহম্মদ (সা:) ও তার স্ত্রী আয়েশার (রা.) বিয়ে নিয়ে টুইটারে উত্তর প্রদেশের কানপুরে বিজিপি’র নেত্রী নূপুর শর্মার অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার ( ৯ জুন) দুপুরে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে রাষ্ট্রকর্তৃক এর নিন্দা জ্ঞাপনের দাবি জানানো হয়।

ঢাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুহাম্মাদ ইয়াছিন আরাফাতের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিব্বুল্লাহর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ।

এসময় তিনি বলেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসলাম ও মুসলিমদের উপর খড়গহস্ত নেমে এসেছে। তাদের কাছে গরুর মূল্য থাকলেও মুসলমানদের রক্তের কোন মূল্য নেই। সম্প্রতি মুসলমানদের প্রাণের স্পন্দন নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা. ও তার সহধর্মিণী নিয়ে কটুক্তি করে তারা সাম্প্রাদায়িক ও জঙ্গিবাদী আচরণ করেছে। আমরা এই নোংরা হস্তক্ষেপের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভারতের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র হওয়ায় সেখানে কোনো ধর্মীয় উস্কানি বাংলাদেশেও প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের দাবী বাংলাদেশেও ধর্মীয় সংঘাত এড়াতে অতিসত্ত্বর সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনা হোক। এবং মুসলমানদের প্রাণে রক্তক্ষরণ রোধে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করুন।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ভারত আজকে এই প্রথম নয় তারা আরো অনেক বার রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন এবং মুসলমানদেরকে নিশংস ভাবে হত্যা করেছে। ভারত উপমহাদেশ মুসলমানরা যখন শাসন করেছিল তখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অনেক ভাল ছিল। আজ বিজেপি সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে মরিয়া হয়ে গেছে। বিশ্বের প্রায় ১৬টি দেশ ভারতীয় পন্য বর্জন করেছে। আমি সরকারকে বলবো আমাদের দেশ থেকে যেন লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং ভারতীয় হাই কমিশনারকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করেন।

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম হুসাইন মৃধা, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাহবুব হোসেন মানিক, তথ্য ও গবেষনা বিভাগের কেন্দ্রীয় উপ-সম্পাদক ইমরান হোসাইন নূরসহ ঢাবি শাখার নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

RELATED ARTICLES

Most Popular